ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসনের নির্বাচনী মাঠ এবারো চমকপ্রদ। এখানে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বড় দলের প্রচারণার ঢেউয়ের মাঝেও ছোট প্রার্থীরা অভিনব ব্যানার দিয়ে ভোটারদের নজর-১৫ আসনের নির্বাচনী মাঠ এবারো চমকপ্রদ। এখানে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বড় দলের প্রচারণার ঢেউয়ের মাঝেও ছোট প্রার্থীরা অভিনব ব্যানার দিয়ে ভোটারদের নজর কেড়েছেন।রাজধানীর কাফরুল ও ইব্রাহিমপুরে দেখা গেছে, বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খানের ধানের শীষ ও জামায়াতে ইসলামী আমির ডা.শফিকুর রহমানের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বড় ব্যানারের নিচে ছোট আকারের রঙিন ব্যানার টাঙানো হয়েছে।বিশেষ নজর কেড়েছে জনতার দলের প্রার্থী শোয়েব আমান উল্লাহর ব্যানার, যাতে লেখা ছিল, ‘আমি ছোট, আমাকে মারবেন না’।শোয়েব আমান উল্লাহ একটি গণমাধ্যকে বলেন, বড় দলের প্রার্থীদের সমর্থকেরা পোস্টার লাগানোর সময় প্রায়ই মারামারি করে। তাই নিজেকে ‘ছোট’ বলে উল্লেখ করেছি, যাতে কেউ আমার ওপর চড়াও না হয়। আমি ইউরোপীয় স্টাইলে প্রচার চালাচ্ছি, ডোর-টু-ডোর ও চায়ের দোকানগুলোতে সরাসরি মানুষের সঙ্গে কথা বলছি।ঢাকা-১৫ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এখানে বিএনপির ধানের শীষ, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা, সিপিবির কাস্তে, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল, বাংলাদেশ জাসদের মোটরগাড়ি-কার, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির একতারা এবং আমজনতার দলের প্রজাপতি প্রতীকের প্রার্থীরা অংশ নিচ্ছেন।জামায়াত আমির ডা.শফিকুর রহমান প্রচারের প্রথম দিন থেকেই পথসভা, জনসভা ও নারী সমাবেশে সরাসরি অংশ নিচ্ছেন। বিএনপির শফিকুল ইসলাম খানও নিয়মিত জনসংযোগে রয়েছেন। ছোট প্রার্থীরা তাদের সীমিত বাজেট ও পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রচার চালাচ্ছেন।সিপিবির প্রার্থী সাজেদুল হক বলেন, আমাদের বাজেট সীমিত। মূল ফোকাস হলো অলিগলি এবং বাড়ি বাড়ি যাওয়া। অর্থের শক্তির চেয়ে পরিশ্রমকে আমরা মূল হাতিয়ার করেছি।এই আসনের ভোটাররা অনেকেই প্রকাশ্যে সমর্থন জানাতে সাহস পান না, তবে গোপনে ছোট ও নতুন দলগুলোকে সমর্থন করছেন।নিলাভ পারভেজ মন্তব্য করেছেন, ভোট দিয়ে আদৌ পরিবর্তন আসে কি না, এমন প্রশ্ন অনেকের মনে আছে। দুর্নীতি ও নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে ভোটারদের আস্থা কমে গেছে। এই অবস্থায় নির্বাচিত হওয়ার চেয়ে সুন্দর ও নিরাপদ সমাজ নির্মাণে কাজ করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

Dhaka News36