নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র রক্ষায় দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
আজ শনিবার সকালে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের জাতীয় সংহতি ও সার্বভৌমত্ব পুনরুজ্জীবিত হয়েছিল। এই দিনটি আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে এবং জাতীয় স্বার্থে একতাবদ্ধ হতে শিক্ষা দেয়।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে দেশকে উন্নয়ন, শান্তি ও সুশাসনের পথে এগিয়ে নিতে হলে বিভেদ ভুলে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। কোনো ধরনের বহিঃশত্রুর ষড়যন্ত্র বা অপশক্তি যেন দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে, সে ব্যাপারে দেশবাসীকে সজাগ থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, মন্ত্রীপরিষদের সদস্যবর্গ, বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী এবং বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভার আগে ঐতিহাসিক এই দিবসে দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব শাহরিয়ার পামির এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এবং সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের বিশেষ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেটকোরের (বিএনসিসি) ৩ হাজার ক্যাডেট এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের ৫০০ সদস্য অংশ নিচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত রয়েছেন






dhakanews36.com